আকুর বিল পরিশোধের পরও গ্রস রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়নের বেশি
সিনিয়র রিপোর্টার
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের আমদানি বিল পরিশোধের পরও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে গ্রস রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় সাড়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে আকুর জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি মেয়াদের ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার (১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন) আমদানি বিল পরিশোধ করেছে। এ পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস বা মোট রিজার্ভ রয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আকুর প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের আমদানি বিল পরিশোধের পরও রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। রিজার্ভ নিয়ে এখন আর কোনো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা নেই। বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় এখন গ্রহণযোগ্য ও স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনাও রিজার্ভকে এই অবস্থায় রাখতে সহায়তা করেছে।
বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাড়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আকুর দেনা পরিশোধের আগে গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। তখন গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার।
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এশিয়ার নয়টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, তার মূল্য প্রতি দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়।
রিজার্ভের প্রধান দুটি উৎস হলো রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স। তবে গত সাত মাস ধরে রপ্তানি আয় কমলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েই চলেছে।
