‘মালয়েশিয়ার বাজারে খুব ভালো করছে, প্রাণ আমাদের গর্বের জায়গা’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রাণের পণ্যের ভালো অবস্থানের প্রশংসা করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান। তিনি বলেছেন, প্রাণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের জায়গা এবং প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য অন্য বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদেরও অনুপ্রাণিত করছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস (মিহাস) মেলায় প্রাণসহ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টল পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, প্রাণ মালয়েশিয়ার বাজারে খুব ভালো করছে। প্রতিষ্ঠানটি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার জায়গা তৈরি করেছে। নতুন উদ্যোক্তারাও প্রাণের সাফল্য দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন—‘প্রাণ পারলে আমরা কেন পারব না’—এমন ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় প্রাণের পণ্যের বাজার আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন মনজুরুল করিম খান। তিনি বলেন, দেশটির রেস্তোরাঁগুলোতে নুডলস ও মসলার সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার বড় হালাল বাজারের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।
প্রাণের ব্র্যান্ড ও পণ্যের মানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভোক্তাদের কাছে প্রাণের ব্র্যান্ডের ভালো গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং পণ্যের মানও ভালো। প্রাণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের জায়গা।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে মিহাস। আন্তর্জাতিক হালাল বাণিজ্যের এ প্রদর্শনীতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহায়তায় প্রাণসহ বাংলাদেশের সাতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। চার দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে মেলাটির আয়োজন করেছে দেশটির এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন। এ সময় হাইকমিশনারের সঙ্গে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয় শংকর উপস্থিত ছিলেন।
এবারের মেলায় প্রাণ আটটি স্টল দিয়েছে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—এপেক্স কনভিনিয়েন্স ফুডস লিমিটেড, ঘরের বাজার, প্যারাগন এগ্রো লিমিটেড, তালুকদার এগ্রো ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ, নোরিশ ফুডস লিমিটেড ও বায়োফার্মা লিমিটেড।
এ ছাড়া ইপিবি ও কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে পৃথক একটি বুথে বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ব্রশিওর, প্রকাশনা ও প্রচারণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় ৪৫টি দেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার দর্শনার্থী ও ক্রেতার সমাগম প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দুই হাজারের বেশি বুথে প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করছে।
