এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে এক বছরে গ্রাহক বেড়েছে ১৭ লাখ ৫৫ হাজার

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে এক বছরে গ্রাহক বেড়েছে ১৭ লাখ ৫৫ হাজার

সিনিয়র রিপোর্টার

গত এক বছরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক বেড়েছে প্রায় ১৭ লাখ ৫৫ হাজার। এছাড়া, আমানত বৃদ্ধি ও ঋণ বিতরণ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স সংগ্রহের রেকর্ডও ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ২৩০। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৮ লাখ ৩২ হাজার ৯৮১। একবছরে গ্রাহক বেড়েছে ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১। এর প্রবৃদ্ধি ৭.২৯ শতাংশ।

ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রেও চমক দেখিয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ঋণ বিতরণ হয়েছিল ২৪ হাজার ২৮ কোটি টাকা। একবছর পেরিয়ে তা বেড়ে হয়েছে ৩৫ হাজার ২৩ কোটি টাকা, অর্থাৎ ঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা। এই খাতে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪৫.৭৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানতের পরিমাণ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৪১ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেড়ে ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বৃদ্ধির পরিমাণ ৭ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা বা ১৮.৫১ শতাংশ।

তবে এ উন্নয়ন ও উত্থানের পেছনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এজেন্ট ও আউটলেটের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এজেন্টের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ২১টি, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কমে হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৭টি। এক বছরে এজেন্ট কমেছে ৬৯৪টি। একইভাবে, আউটলেটের সংখ্যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২১ হাজার ২৪৮টি, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কমে ২০ হাজার ৫০১টি হয়েছে, অর্থাৎ কমেছে ৭৪৭টি। তবে সেবাদাতা ব্যাংকের সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি।

BD Short News 24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *