গ্রেপ্তারের আগে ভিডিওবার্তায় যা বললেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

গ্রেপ্তারের আগে ভিডিওবার্তায় যা বললেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারের ঠিক আগে দেওয়া ভিডিওবার্তায় আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমাকে এই মুহূর্তে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে, শুধু আপনাদের জানিয়ে গেলাম।’

তিনি বলেন, জনগণের জন্য এবং বিশেষ করে প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যেতে চান তিনি। এ জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

ভিডিওবার্তায় তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকারের সংগ্রামে তিনি আছেন এবং থাকবেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন জনগণের পাশে থাকার পাশাপাশি জনগণের জন্য সংগ্রাম করার কথাও জানান তিনি।

এর আগে শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের (BG-338) লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে গেলে আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার, গালাগাল ও মারধরের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামানের সঙ্গীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ করলে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন। এ সময় এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।

এসব ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে।

rumaakter144e@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *