পবিত্র কুরআন নিয়ে কবিতা: শঙ্কর দয়াল শর্মার কলমে ধর্মীয় সহাবস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত

পবিত্র কুরআন নিয়ে কবিতা: শঙ্কর দয়াল শর্মার কলমে ধর্মীয় সহাবস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত

ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. শঙ্কর দয়াল শর্মা ছিলেন শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি ছিলেন একজন চিন্তাশীল সাহিত্যিক ও কবিও। হিন্দি ভাষায় তাঁর লেখা কবিতাগুলোতে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিকতা এবং আধ্যাত্মিক ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়েও একটি প্রভাবশালী কবিতা রচনা করেছিলেন, যা আজও বহু ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়ে নাড়া দেয়।

কবিতার প্রেক্ষাপট

ড. শর্মা ছিলেন একজন উদারচেতা মানবতাবাদী। তিনি বিশ্বাস করতেন, কুরআন শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক শিক্ষা — ন্যায়, শান্তি, করুণা এবং আত্মসমর্পণের পথ। তাঁর কবিতাটি কুরআনের শিক্ষার গভীরতা ও বিশ্বজনীনতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।

কবিতার সারাংশ

  • কুরআন শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুশাসনের বই নয়, এটি মানবতার নির্দেশিকা
  • আল্লাহর বাণী মানুষের হৃদয়ে আলো জ্বালায়
  • কবিতায় তিনি উল্লেখ করেন— “এ কিতাব ভेद নয়, বরং মিলনের সেতু”
  • তিনি ইসলামের ন্যায়ের বাণী, দয়া, ক্ষমা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের শিক্ষা তুলে ধরেন

একটি অনন্য বার্তা

এই কবিতার মাধ্যমে ড. শর্মা কেবল ইসলামের প্রশংসা করেননি, বরং ভারতীয় সমাজে ধর্মীয় সহনশীলতার এক অনুপম বার্তা দিয়েছেন। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান—সবার মাঝে যে ঐক্য সম্ভব, সেটির সাহিত্যিক অভিব্যক্তি পাওয়া যায় তাঁর লেখায়।

শিক্ষা ও প্রভাব

ড. শর্মা নিজে ইসলামিক দর্শন অধ্যয়ন করেছিলেন। তাই কুরআন সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানে ছিলো গভীরতা। এই কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, একটি সামাজিক আবেদন, যেন সবাই ধর্মকে ঘৃণার নয়, ভালোবাসা ও জ্ঞানের আলোতে দেখে।

সারাংশ

ড. শঙ্কর দয়াল শর্মার “কুরআন” নিয়ে লেখা কবিতা হলো ধর্মীয় সম্প্রীতির এক জীবন্ত দলিল। এটি প্রমাণ করে, সত্যিকার জ্ঞানী কখনও বিভাজনের নয়, বরং মিলনের ভাষা বেছে নেন।

BD Short News 24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *