প্যাকেটজাত খাবারে উপাদান পড়ে নিন – কেন এটা জরুরি?
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে প্যাকেটজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার অনেক জনপ্রিয়। তবে এগুলোর গায়ে লেখা উপাদান তালিকা না পড়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। উপাদান পড়ে নেওয়ার অভ্যাস আপনাকে সঠিক ও স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
উপকারিতা
১. অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর উপাদান চিহ্নিত করা যায়
– কিছু খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ট্রান্স ফ্যাট বা প্রিজারভেটিভ থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
২. অ্যালার্জির ঝুঁকি এড়ানো যায়
– অনেকে দুধ, গ্লুটেন, বাদাম ইত্যাদিতে অ্যালার্জিক। উপাদান না পড়লে অজান্তে এমন কিছু খেয়ে ফেলতে পারেন যা শরীরের ক্ষতি করে।
৩. ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণ জানা যায়
– প্রতিটি খাবারে কত ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট বা কার্বোহাইড্রেট আছে, তা উপাদান ও পুষ্টি তালিকায় লেখা থাকে।
৪. প্রসেসড উপাদান চিহ্নিত করতে সাহায্য করে
– যেসব উপাদানে রাসায়নিক বা কৃত্রিম রঙ, স্বাদ বা ঘ্রাণ আছে, সেগুলো বুঝে এড়িয়ে চলা সম্ভব হয়।
কী কী খেয়াল করবেন?
উপাদান ব্যাখ্যা
*Ingredients (উপাদান) কোন কোন উপাদান দিয়ে তৈরি তা এখানে থাকে। উপাদান তালিকা যত ছোট ও পরিচিত, তত ভালো।
*Added Sugar (যুক্ত চিনি) অতিরিক্ত চিনি যুক্ত থাকলে তা বুঝে নিতে পারবেন। “High Fructose Corn Syrup”, “Maltose” ইত্যাদি চিনির বিভিন্ন রূপ।
*Sodium (লবণ) অতিরিক্ত সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। দিনে ২,৩০০ মিগ্রা’র বেশি না নেওয়াই ভালো।
*Trans Fat / Hydrogenated Oil এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এড়িয়ে চলা উচিত। Preservatives / Artificial Colors যেমন: E211, E102 ইত্যাদি – যেগুলো দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে। write this in another way
সতর্কতা
• “Sugar-free”, “Low-fat”, “Natural” – এসব শব্দ বিভ্রান্তিকর হতে পারে। সবসময় উপাদান তালিকা দেখে নিশ্চিত হন।
• মেয়াদোত্তীর্ণ বা খোলা প্যাকেট না কিনুন।
উপদেশ
• কেনার সময় মাত্র ৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্যাকেটের গায়ে লেখা পড়ুন।
• শিশুদের জন্য খাবার কিনলে আরও সতর্ক হোন।
