জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে মুক্ত পাঠাগারের বিকল্প নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মুক্ত পাঠাগার ও প্রকাশনার বিকল্প নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্টজনরা। তাঁদের মতে, মানুষের বিবেককে সমৃদ্ধ করতে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা প্রয়োজন, আর অজানাকে জানার এবং না বলা ভাষা প্রকাশের জন্য বই-ই হতে পারে মানুষের সত্যিকারের বন্ধু।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সাহিত্য ও প্রকাশনা সংগঠন ছায়ানীড় আয়োজিত প্রকাশনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।
বক্তারা বলেন, জন্মলগ্ন থেকেই ছায়ানীড় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যে শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক লুৎফর রহমান দুলালের অবদান অনন্য বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিএমআরসি’র নির্বাহী সদস্য প্রফেসর ডা. মো. রুহুল আমিন। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা ডেলটা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দীপক কুমার পাল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক, ছায়ানীড়ের উপদেষ্টা আবুল কাশেম চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী সৈয়দা রাশিদা বেগম এবং রাশিদা জেসমিন রোজী।
সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ ও বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত গবেষক ড. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া। সংবর্ধিত গুণীজনদের মধ্যে ছিলেন প্রকৌশলী মোস্তফা আনোয়ার, হাজী মোহাম্মদ রেজাউল কবির সেলিম, সীমা আক্তার সন্ধি, প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ, শরিফুল ইসলাম স্বপন, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশী কবি ও গবেষক লায়ন অ্যাডভোকেট আলতামাসুল ইসলাম আকন্দ ইকবাল।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমি লেখক ফোরামের সম্পাদক অধ্যাপক আকবর সিরাজী, বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ইকবাল হোসেন, আদিলুর রহমান আকন্দ ইত্তেসাফ প্রমুখ।
বক্তারা একমত পোষণ করে বলেন— “জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মুক্ত পাঠাগার ও প্রকাশনার কোনো বিকল্প নেই।”
