৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ৮ মার্চ।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে একটি জাতীয় দৈনিক আয়োজিত ‘ক্রীড়াঙ্গনে নারীদের গৌরব যাত্রা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশেষ করে নারী অ্যাথলেটদের নিরাপত্তা এবং জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া নানামুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

সাবেক এই তারকা ফুটবলার নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতা টেনে বলেন, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি অ্যাথলেটদের সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যার বিষয়গুলো গভীরভাবে অনুধাবন করেন।

তিনি জানান, নারী খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হবে। এই সেল নারী অ্যাথলেটদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে তাদের পারিবারিক সমস্যা ও খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রায়াথলেট ফেরদৌসী আক্তার মারিয়ার প্রসংগ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মারিয়ার সমস্যার কথা শোনা মাত্রই তিনি সচিব ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে এনএসসি থেকে তাৎক্ষণিক সহযোগিতার পাশাপাশি আগামীকাল থেকেই মারিয়ার জন্য একটি স্থায়ী স্পন্সরের ব্যবস্থা চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে।

ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রী একটি বড় ঘোষণা দিয়ে জানান, দেশের ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়কে প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট ছাড়াও আর্চারি, শুটিং, ভলিবল, বক্সিং, ভারোত্তোলন ও টেবিল টেনিসের মতো সব ধরণের খেলার অ্যাথলেটরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। ক্রীড়াঙ্গনে সুশাসন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে জাতীয় শিক্ষাক্রমের চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টের জাতীয় দলের নারী খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

BD Short News 24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *