যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘অন্ধকার’

যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘অন্ধকার’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী সচল করতে মিত্ররা সহায়তা না করলে ন্যাটোকে ‘ভয়াবহ ভবিষ্যতের’ মুখোমুখি হতে হবে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর মিত্রদের সমালোচনা করে ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “আমাদের ন্যাটো নামে একটি জোট আছে।”

তিনি বলেন, “আমরা অনেক আন্তরিকতা দেখিয়েছি। ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের সাহায্য করার কোনো বাধ্যবাধকতা আমাদের ছিল না। ইউক্রেন আমাদের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে… তবুও আমরা তাদের সহায়তা করেছি। এখন দেখার বিষয়, তারা আমাদের সাহায্য করে কি না। কারণ আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে, আমরা তাদের পাশে থাকব, কিন্তু তারা আমাদের প্রয়োজনে পাশে থাকবে না। আর আসলেই তারা পাশে থাকবে কি না, তা নিয়ে আমি সন্দিহান।”

কী ধরণের সহায়তা প্রয়োজন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “যা যা করা প্রয়োজন, তাই করতে হবে।” এসময় তিনি যুক্তরাজ্যের অবস্থানেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “যুক্তরাজ্যকে এক নম্বর মিত্র বা দীর্ঘদিনের সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, অথচ আমি যখন তাদের এগিয়ে আসতে বললাম, তারা আসতে চাইল না। আর যখন আমরা ইরানের বিপজ্জনক সক্ষমতাগুলো প্রায় ধ্বংস করে দিলাম, তখন তারা বলল, ‘ওহ, আচ্ছা, আমরা দুটি জাহাজ পাঠাব।’ আমি তখন বললাম, ‘বিজয়ের পরে নয়, আমাদের জাহাজগুলো দরকার ছিল বিজয়ের আগেই।’ আমি অনেক আগে থেকেই বলে আসছি যে, ন্যাটো হলো একটি ‘ওয়ান ওয়ে স্ট্রিট’ বা একপাক্ষিক সুবিধার জায়গা।”

ট্রাম্প ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে আরও জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি সচল করতে চীন সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে তিনি চলতি মাসের শেষের দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলন পিছিয়ে দিতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীন ও ইউরোপ উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল উল্লেখ করে ট্রাম্প যুক্তি দেখান। তিনি বলেন, “যারা এই প্রণালী থেকে সুবিধা ভোগ করে, তাদেরই নিশ্চিত করা উচিত যে সেখানে খারাপ কিছু যেন না ঘটে—এটাই একমাত্র যৌক্তিক কথা।”

সূত্র : আল জাজিরা

BD Short News 24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *