বাকৃবিতে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী, ১০৮ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান
বাকৃবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১০৮ শিক্ষার্থীকে ইন্টার্নশিপের সনদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে চার শিক্ষার্থীকে ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) গবেষক ও পরিকল্পনা শাখার পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্টার্নশিপ ব্যবস্থাপনা সেলের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. জোয়ার্দ্দার ফারুক আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আল ইমরান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অনুষদের মেধাতালিকায় অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ চার শিক্ষার্থীর হাতে ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—মো. গোলাম সাকলায়েন আনাস, উম্মে হাবিবা ফারিয়া, আমাতুল কিবরিয়া তামান্না ও তায়েবা তাবাসসুম তিশা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, যেসব শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেছেন এবং ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানাই। শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখার একটি সুবর্ণ সুযোগ হলো ইন্টার্নশিপ। এই প্রোগ্রামে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মৎস্য খাতে শেখার অসংখ্য সুযোগ ও ক্ষেত্র রয়েছে। ইন্টার্নশিপে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
