নিজের বই বিক্রিতে সচিবের নির্দেশনা : তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেবে সরকার
একজন সচিব বিগত সরকারের সময়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজের বই বিক্রির জন্য লিখিত-অলিখিত নির্দেশনা পাঠাচ্ছেন। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পেলে অবশ্যই সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
আজ (সোমবার) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
একজন সচিব বিগত সরকারের সময়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজের বই বিক্রির জন্য লিখিত-অলিখিত নির্দেশনা পাঠাচ্ছেন। এই নির্দেশনা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের শিক্ষা অফিসগুলোতে দেওয়া হচ্ছে যে, ওই সচিবের বই কিনতে হবে। সরকার গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতার যে কথা বলছে, তার সঙ্গে এটা সাংঘর্ষিক কি না?
এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, যদি এটা সত্যি হয়ে থাকে, অবশ্যই আমরা এটা নিয়ে কাজ করব। আপনাদের অনুরোধ করবো আমাদের বিস্তারিত জানানোর জন্য। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আমাদের দিক থেকে সংশ্লিষ্ট সচিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হবে। তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
মেট্রোরেলের নিচে হাট বসানোর প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, মেট্রোরেলের নিচে হাট বসতে দেওয়া হয়নি এবং সে ধরনের কোনো অধিকার, ইজারা বা কিছুই ছিল না। যেহেতু প্রবল বৃষ্টি ছিল, সেখানে আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। সেটাও হয়তো অনাকাঙ্ক্ষিত, কিন্তু এটার কোনো অনুমোদন ছিল না এবং এটা বৃষ্টিপাতের কারণে হয়েছে।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরাও তো বৃষ্টির সময় একটা বাড়ির নিচে বা গ্যারেজে খালি জায়গা পেলে সেখানে দাঁড়াই। গরুগুলোর সুরক্ষা এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য এটা করা হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে কীভাবে এটাকে আরও সুশৃঙ্খল করা যায়, সে বিষয়ে চিন্তা করবো।
মাহদী আমিন বলেন, সরকারের দিক থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। এটা এই সরকারের আমলে প্রথম কোরবানির ঈদ। এখান থেকে আরও যা শিক্ষা রয়েছে, প্রাপ্তি রয়েছে, সেটাকে ধারণ করে সামনের দিনগুলোতে আরও কীভাবে স্বচ্ছ, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং স্বস্তির ঈদ নিশ্চিত করা যায়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এসএম মাহফুজুল রহমান এবং প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
