রমজানে তেলের বাজারে দাম বাড়ার অভিযোগ ক্রেতাদের,অস্বীকার ব্যবসায়ীদের
রমজানকে ঘিরে প্রতি বছরই ভোজ্য তেলের বাজারে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পবিত্র মাস শুরুর কয়েক দিন আগে থেকেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে এবং কোথাও কোথাও সরবরাহে ঘাটতির অভিযোগ ওঠে।
রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মগবাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে সয়াবিন তেল নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বললে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়। অনেকেই সংকট বা দাম বাড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাজার স্বাভাবিক রয়েছে না কোনো ঘাটতি, না বাড়তি দাম। অভিযোগ আর অস্বীকারের এই টানাপোড়েনেই রমজানের তেলের বাজার নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
কারওয়ান বাজারের এক ক্রেতা অভিযোগ করেন, আগের তুলনায় তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তার দাবি, কিছুদিন আগেও যে সয়াবিন তেল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় কিনেছেন, এখন অনেক দোকানে তা ২০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “একই তেল, কিন্তু হঠাৎ করেই দাম বেড়ে গেছে। রমজান এলেই এমনটা হয়।”
তবে একই বাজারের কয়েকজন দোকানদার এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দেন। তাদের ভাষ্য, কোম্পানি যে দামে তেল সরবরাহ করছে, তারা সেই নির্ধারিত দামেই বিক্রি করছেন। একজন ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করলে ক্রেতারাই কিনত না। বাজারে কোনো সংকট নেই, তেল নিয়মিতই আসছে।”
বাজারের এই মিলিত চিত্রই দেখাচ্ছে, রমজানে তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে বাস্তব ও ধারণার মধ্যে পার্থক্য রয়ে গেছে। ক্রেতারা দাম বাড়ার কথা বললেও, দোকানদাররা অস্বীকার করছেন যার ফলে বাজারে ভোক্তাদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
