রাঠি-দীপকেকে আটকের পরও দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জেন-জিদের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লিতে নির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে দলটির শীর্ষ নেতাসহ ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হলেও আন্দোলন থেকে সরে না আসার কথা জানিয়েছে দলটি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের ঘটনায় সমালোচনা করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজধানীজুড়ে অচলাবস্থা তৈরির পর দিল্লিতে অবস্থানরত নাগরিক এবং সেখানে যাওয়ার পথে থাকা ব্যক্তিদের আটক ও ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে। বিক্ষোভ ব্যর্থ হবে বলে কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি লেখেন, ‘যন্তর মন্তর ২.০ শুরু হয়েছে।’
সিজেপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্র যখন গণতান্ত্রিক ভিন্নমত দমনে ব্যাপকভাবে মানুষকে আটক করে, তখন গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব জনগণকেই নিতে হয়। দলটির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, শক্তি প্রয়োগ করে একটি সাংবিধানিক আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করে গুরুগ্রাম পুলিশ। পরে দিল্লিতে অবতরণের পর বিমানের ভেতর থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
বিমানে উঠে পুলিশ সদস্যরা দীপকেকে আটক করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুরো ঘটনা ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার করেন তিনি।
বিমানের ভেতরে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীও এমনটা করেননি। পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ। আমরা সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত।’
এদিকে যন্তর মন্তরে কড়াকড়ি আরোপের পর বিকল্প স্থানে সমাবেশের আহ্বান জানিয়েছেন আইসার জাতীয় সভানেত্রী নেহা বোরা। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ দিল্লি হাটই হয়ে উঠছে যন্তর মন্তর! দেখা হচ্ছে সেখানে!’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান এ আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার ও ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
