‘কেন চাঁদাবাজি করব, অভাব তো নেই আমার’
বিনোদন ডেস্ক
চাঁদাবাজির অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের আর্থিক স্বচ্ছলতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থের জন্য চাঁদাবাজি করার কোনো প্রয়োজন তার নেই।
ডিপজল দাবি করেন, রাজধানীর গাবতলী এলাকায় তার নামে এক দাগে ১০০ বিঘারও বেশি জমি রয়েছে। তার ভাষ্য, এত বিপুল সম্পদ থাকার পর অন্যের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার কোনো প্রয়োজন তিনি দেখেন না।
তবে গাবতলীতে তার জমির মালিকানা বা জমির পরিমাণের বিষয়ে কোনো স্বাধীন সরকারি নথি বা দলিল জনসমক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে এ তথ্যকে আপাতত ডিপজলের ব্যক্তিগত দাবি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
গাবতলী পশুর হাটের ইজারা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই ডিপজলের সম্পৃক্ততার কথা আলোচনায় রয়েছে। ২০২৪ সালে বাংলা ১৪৩১ সনের গাবতলী পশুর হাটের ইজারা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ ১৭ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা দর দিয়ে তিনি ইজারা পান। নির্ধারিত সময়ে পুরো অর্থ পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলেও পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের আদেশে তার ইজারা বহাল থাকে।
২০২৫ সালেও গাবতলী পশুর হাটের ইজারা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় ডিপজলের নাম আসে। একই বছর ওই হাটে এক নারীকে মারধর ও এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। পরে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া ২০২৬ সালের জুনে গাবতলী এলাকায় ঢাকা জেলা পরিষদের সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলে রাখার অভিযোগে ডিপজলকে জরিমানা করার খবরও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
এসব পুরোনো আইনি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকলেও সাম্প্রতিক চাঁদাবাজির অভিযোগকে ডিপজল দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। নিজের পর্যাপ্ত সম্পদ থাকার বিষয়টি সামনে এনে তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, অর্থের জন্য চাঁদাবাজির কোনো প্রয়োজন তার নেই।
