তরুণ জিদানকে মনে ধরেছে বাংলাদেশের কোচের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ফুটবলে প্রবাসী খেলোয়াড়দের সংযুক্তির ধারাবাহিকতায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তরুণ ডিফেন্ডার জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ। জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ রক্ষণভাগের ভরসা হতে পারেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও তাঁকে নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত দিতে নারাজ প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তবে জিদানের সম্ভাবনা কোচের নজর কেড়েছে।
মেক্সিকান মা ও বাংলাদেশি বাবার সন্তান জিদান বর্তমানে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন। তাঁর টেকনিক্যাল দক্ষতা ও শারীরিক সক্ষমতায় সন্তুষ্ট ডুলি। তবে প্রবাসী খেলোয়াড় হিসেবে কোনো বাড়তি সুবিধা তিনি পাবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন কোচ।
রোববার জাতীয় দলের অনুশীলন সেশনের আগে সংবাদ সম্মেলনে ডুলি জানান, অনূর্ধ্ব-২০ দলের বাছাইপর্ব শেষ করে জিদান সিনিয়র দলের ক্যাম্পে যোগ দিলে তাঁকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে দলের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হবে।
তবে জাতীয় দলে জায়গা পেতে জিদানকে কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কোচের কাছে খেলোয়াড়ের পরিচয়ের চেয়ে পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডুলি বলেন, “যদি সে অনূর্ধ্ব-২০ দলের খেলা শেষ করে এসে আমাদের দেখায় যে ডিফেন্সে সে-ই এক নম্বর খেলোয়াড়, তবে অবশ্যই আমরা তাকে জাকার্তায় নিয়ে যাব। আর সে যদি বাকিদের চেয়ে ভালো হতে না পারে, তবে যাদের ওপর আমরা আগে থেকে আস্থা রাখছি তাদের দিয়েই খেলাব।”
বাংলাদেশ জাতীয় দলের বর্তমান পরিকল্পনায় রক্ষণভাগ থেকে আক্রমণ গড়ে তোলা এবং বল নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলা গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে জিদানের দক্ষতা কোচের কৌশলের সঙ্গে মানানসই হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর শারীরিক সামর্থ্যও কোচের নজরে এসেছে।
জিদানকে নিয়ে ডুলির আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। এরই মধ্যে তিনি জানিয়েছেন, এই তরুণকে সিনিয়র জাতীয় দলের ক্যাম্পে দেখতে চান। তবে ক্যাম্পে ডাক পাওয়ার পরও মূল একাদশ কিংবা জাকার্তাগামী স্কোয়াডে জায়গা নিশ্চিত হবে না।
এখন জিদানের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা অনূর্ধ্ব-২০ দলের বাছাইপর্ব শেষ করে সিনিয়র দলের ক্যাম্পে নিজেকে প্রমাণ করা। সেখানে অন্য ডিফেন্ডারদের টপকে নিজেকে সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই মিলতে পারে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার সুযোগ।
